বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদের দক্ষিণ জেলা কমিটি অনুমোদন সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন সিবলু সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আলম রবিন।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রাম: বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন সিবলু সভাপতি ও চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক জিএস মো. জাফর আলম রবিনকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট লিটন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাবেক সহসভাপতি সুমনা আক্তার লিলি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেন।

শনিবার(০৩ অক্টোবর) বিকালে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-সহসভাপতি পদে মো. মোস্তাফিজ মিয়া, আশরাফ হোসাইন, সহসভাপতি ফয়সাল বিন আইয়ুব, আজমাঈন হোসেন রাফি, যুগ্মসম্পাদক রাজীব দেবনাথ, গাজী হাসান মেহেদী শুভ, হাসনাতুল জান্নাত তানিয়া, সত্যজিৎ মজুমদার সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাশেদ হামিদ সাইমন, মহসিন আরাফাত, মো. কামাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক পদে নুসরাত সুলতানা, সহসম্পাদক পদে সুদীপ্ত রায় চৌধুরী ও তারেজ আজিজ।

শাহ-আমানত সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে২৩,৩০০ ইয়াবা সহ ২ জন কে আটক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ৩অক্টোবর

চট্টগ্রাম র‌্যাব-৭ গোপন সংবাদের মাধ্যমে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি যাত্রীবাহী বাস যোগে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নিয়ে আনোয়ারা হতে চট্টগ্রামের দিকে আসার সময়ে গত ০২ অক্টোবর রাতে আনুমানিক ০৯টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন শাহ-আমানত সেতুর সংযোগ সড়কস্থ সাইনি কাবাব ঘরের বিপরিতে চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল্লাশি শুরু করে।

এ সময় র‌্যাবের চেকপোস্টের দিকে আসা ওয়াকিয়া এক্সপ্রেস এর একটি বাসকে থামানোর সংকেত দিলে বাসটি র‌্যাবের চেকপোস্টের সামনে থামানোর সাথে সাথে বাস থেকে নেমে ০২ জন ব্যাক্তি ০২ টি ব্যাগ হাতে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামীঃ ১। মোঃ আবুল কালাম (৪৭), পিতা- মৃত ছিদ্দিক মিয়া, সাং- একষট্টিগ্রাম, থানা- মানিকছড়ি, জেলা- খাগড়াছড়ি এবং ২। মোঃ মিন্টু মিয়া (৩৮), পিতা- মোঃ নুর মিয়া, সাং- রহমতপুর, থানা ও জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমানে সাং- একষট্টিগ্রাম, থানা- মানিকছড়ি, জেলা- খাগড়াছড়িদের’কে আটক করে।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে তাদের দখলে থাকা ০২ টি ব্যাগ তল্লাশী করে ২৩,৩০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদের’কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আরেও জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে উক্ত মাদকদ্রব্য বিভিন্ন অভিনব কৌশলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার মোঃ মাশকুর রহমান সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন।

“০৪ থেকে ১৭অক্টোবর পর্যন্ত ” সিইপিজেডে এডিডিএস‘র ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইনের প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত।

প্রেসবিজ্ঞপ্তীঃ৩০সেপ্টেম্বর
দেশব্যাপি০৪-১৭অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইনের প্রস্ততি হিসেবে বন্দর জোনের অধীনস্থ সিইপিজেড এলাকায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইন-২০২০উদযাপন “আলোরপথে দিগন্ত ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি”(এডিডিএস)সংস্থায় পরিকল্পনা ও প্রস্ততি সভা গত ৩০সেপ্টেম্বর সকালে প্রস্ততি সভা সম্পন্ন হয়।
প্রস্ততি সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহি সম্পাদক মুঃবাবুল হোসেন বাবলা। এসময় বন্দর ইপিআই জোনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন টিকা সহকারী(স্বাস্থ্য সহকারী) মোঃ জাবেদ হোসেন,প্রাচিকসের যুগ্ন সম্পাদক ও সংস্থার উপদেষ্টা ডাঃউদয়ন কান্তি মিত্র,এডিডিএস’র যুগ্ন সম্পাদক- মোঃ আসাদুল ইসলাম,স্বাস্থ্য সহকারী সুরমা বেগম(ইফতি),অর্থ সম্পাদক রুমা ইয়াছমিন,সংগঠক তাসলিমা আক্তার নিশা, তাহমিনা ইসলাম, জাহিন পারভীন,রুমা দেবী প্রমুখ।

ক্যাম্পাইনে ”আলোরপথে-দিগন্ত ডেভেলপমেন্ট সোসাইট “(এডিডিএস)’সংস্থায় প্রথমবার ৩টি সেন্টার,১টি মোবাইল টিম এবং ১টি সাব কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দর ইপিআই জোন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইন-২০২০উদযাপনে সহযোগিতা করবেন বলে জানাই। এবারের কর্মসূচিটি স্বাস্থ্যবিধি ওশাররিক দূরত্ব মেনে পালন করবে।
পর্যায়ক্রমে এডিডিএসর অধীনে হালিশহর একাদশ ক্লাব,মাদ্রাজী শাহপাড়া ক্রীড়া সংগঠন,নারিকেল তলা একাদশ,চরপাড়াস্থ ডাঃম.ফ ফিরোজ ‘এর’ বাড়ী, বেশপিং সেন্টার চত্তরে ভ্রাম্যমান টিম দিয়ে শিশুদের বিনামুল্যে ভিটামিন’এ’ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

শান্তিতে ইয়াবা ব্যবসা করতে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ।কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না বোধয়।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রামঃ ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগ এনে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন পতেঙ্গা এলাকার নুরুল আবছার নামে এক ‘মাদক ব্যবসায়ী’। আদালতের নির্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ তদন্ত করে।

তদন্তে ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নুরুল আবছারের অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়। পরে আদালত পুলিশের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ খারিজ করে দেন।  

এবার মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের করায় দুদক স্বপ্রণোদিত হয়ে বাদি নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।  

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ বাদি হয়ে মামলাটি করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম।

মামলা নম্বর ১২।  

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বাংলানিউজকে বলেন, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের মিথ্যা অভিযোগ এনে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন নুরুল আবছার।

তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। পরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখের একটি স্মারকমূলে মিথ্যা মামলার বাদি নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৮ (গ) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হলে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।  

২০১৯ সালের ২৫ মার্চ মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন নুরুল আবছার। নুরুল আবছার নিজেকে আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচয় দিতেন। পরে মাদক ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতার কারণে তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারও করা হয়।  

নুরুল আবছার পতেঙ্গা থানাধীন কোনার দোকান এলাকার বদিউল আলমের ছেলে।

নুরুল আবছারের দায়ের করা মামলায় পতেঙ্গা থানার তৎকালীন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) তরুণ কান্তি শর্মা, সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রণয় প্রকাশ, ওসি আবুল কাশেম ভুঁইয়া (বর্তমানে পাঁচলাইশ থানার ওসি),  এসআই আবদুল মোমিন, এএসআই কামরুজ্জামান ও এএসআই মিহির কান্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। একই মামলায় মো. ইলিয়াছ, মো. জসিম ও মো. নুরুল হুদা নামে আরও তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘২০১৮ সালের ১ জুন বিকেলে নগরের পতেঙ্গা কাটগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা নুরুল আবছারকে তুলে ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়ার কাছে নিয়ে যান। পরদিন দুপুর পর্যন্ত নুরুল আবছারকে ইয়াবা ব্যবসায়ী উল্লেখ করে আটক রেখে ৩০ লাখ টাকা দিতে চাপ দেন পুলিশ সদস্যরা। টাকা না দিলে ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো হয়। পরে ১৫ লাখ টাকা তিনি এসআই কামরুজ্জামানের হাতে দেন। বাকি ১৫ লাখ টাকা না দেওয়ার তাকে বিদেশি মদ উদ্ধারের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়। ’

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বাংলানিউজকে বলেন, আদালত অভিযোগটি দুদককে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম এ বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন। আদালতও পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ খারিজ করে দেন।  

পরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখের একটি স্মারকমূলে মিথ্যা মামলার বাদি নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৮ (গ) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয় এবং দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১-এর উপ-সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলামকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়।  

দুদকের দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নুরুল আবছার যে অভিযোগ করেছিলেন তা সত্য নয়। সার্বিক তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণে অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি। নুরুল আবছার অসৎ উদ্দেশ্যে পুলিশ সদস্যদেরকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে এডিডিএস‘র ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইনের প্রশিক্ষণ ও প্রস্ততিসভা অনুষ্ঠিত।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ২৬সেপ্টেম্বর
বন্দর জোনের অধীনস্থ ৩৯নং ওয়ার্ডে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইন-২০২০উদযাপনে আলোরপথে-দিগন্ত ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি(এডিডিএস)’সংস্থায় পরিকল্পনা ও প্রস্ততি সভা ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে সিইপিজেডস্থ জোনাল অফিসে প্রশিক্ষণ ও প্রস্ততি সভা সম্পন্ন হয়।
দেশব্যাপি০৪অক্টোবর থেকে ১৭অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইনের প্রস্ততি জানিয়ে সভাপতির বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহি সম্পাদক মুঃবাবুল হোসেন বাবলা। এসময় বন্দর ইপিআই জোনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন টিকা সহকারী(স্বাস্থ্যসহকারী) মোঃ জাবেদ হোসেন,প্রাচিকসের সহ-সম্পাদক ও সংস্থার উপদেষ্টা ডাঃউদয়ন কান্তি মিত্র,এডিডিএস’র যুগ্ন সম্পাদক- মোঃ আসাদুল ইসলাম,অর্থ সম্পাদক রুমা ইয়াছমিন,সহ-সম্পাদক তাসলিমা আক্তার নিশা,সংগঠক তাহমিনা ইসলাম,রুমা দেবী প্রমুখ।

ক্যাম্পাইনে ”আলোরপথে-দিগন্ত ডেভেলপমেন্ট সোসাইট “(এডিডিএস)’সংস্থায় প্রথমবার ৩টি সেন্টার,১টি মোবাইল টিম এবং ১টি সাব কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বন্দর ইপিআই জোন স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে ভিটামিন ‘এ’প্লাস’ক্যাম্পাইন-২০২০উদযাপনে সহযোগিতা করবেন বলে জানাই।
একই সাথে এডিডিএসর অধীনে হালিশহরএকাদশ ক্লাব,মাদ্রাজি শাহপাড়া ক্রীড়া সংগঠন,নারিকেল তলা একাদশ,চরপাড়া ব্যাক্তি প্রতিষ্ঠান এবং বেশপিং সেন্টারস্থ ভ্রাম্যমান টিম দিয়ে শিশুদের বিনামুল্যে ভিটামিন’এ’ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

পটিয়াস্থ ১২নং হাইদগাঁও ইউপি‘র খাইরুল বসরের যৌতুকের বলী হয়ে তিন নারী দিশাহারা জীবনে…!

(পটিয়া প্রতিনিধি ও নিজস্ব প্রতিনিধিঃ২৭ সেপ্টেম্বর)
উপজেলা পটিয়াস্থ ১২নং হাইদগাঁও ইউপি’র মোঃ খাইরুল বসরের যৌতুকের বলি হয়ে একে একে তিন অসহায় নারী এখন শিশু সন্তান নিয়ে অনেকটা অস্বচ্ছল পরিবারের বোঝা হয়ে নিধারুণ কষ্টে দিন যাপনের তথ্য পাওয়া গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,খাইরুল বসর নিজে যৌতুক বিরুধী সংগঠনের নেতা,আর তিনি তথ্য গোপন করে মোটা অংকের যৌতুক নিয়ে একে একে তিন বিয়ে করে এলাকায় দারুণ কৌতুক সৃষ্টি করেছেন। যাহা রীতি তার পরিবারও হতাশ প্রকাশ করেছেন।
ধর্মের লেভাসে নিরীহ পরিবার কে জিম্মি করে শ্বশুর পক্ষ থেকে মোটা অংকের টাকা-উপহার সামগ্রী নিয়ে বছর দুয়েক পরে তালাক নোটিশ, মিথ্যা মামলা আর আইনের ভীতি প্রদর্শন এবং এসিড ছুড়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি এবং মোহরনা আদায়-নারী শিশু নির্যাতন ধারায় তুলে নিতে বাদী পক্ষ পথ-ঘাটে হুমকি দিয়ে চরম নির্যাতন সহ যৌতুকের টাকায় মোটার বাইক নিয়ে উল্টো শ্বশুর পক্ষ হত্যার হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে।
বসর স্থানীয় শালিশ পরিষদ কে মিথ্যা তথ্য ও বিনা অজুহাতে গ্রামের সহজ-সরল নিরীহ অসহায় পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করার নাটক সাজিয়ে সর্বস্ব লুটে নিয়ে তালাক কাগজ পাটিয়ে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বশরের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় একাধিক জিডি/অভিযোগ, চেয়ারম্যান-মেম্বারের নিকট বিচার প্রার্থনা প,টিয়া আদালতে মামলা,চট্টগ্রাম আদালতে মামলা সহ অজস্র লিখিত অভিযোগ থাকলেও কিছু কুচক্রি মহলেরইন্দনেএবং দালাল প্রকৃতির লোকদের অবৈধ টাকা দিয়ে আইনী পদক্ষেপ থেকে পার পেয়ে বাদী পক্ষ কে প্রাণনাশের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করছেনপটিয়া পৌরসভাস্থ(গোবিন্দারখীর,৮নং ওয়ার্ডের)ভুক্তভোগি শাহিনের মা নুর আয়শা অভিযোগে জানান।
তিনি আরো জানাই,বসরের হুমকিতেও ভয়ে বর্তমানে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ত্ব জীবন যাপন করছেন ।
একই কথা জানিয়েছেন স্ত্রী(তালাক প্রাপ্ত) ২য় শাহিন আক্তার। তার একটি পুত্র সন্তান সহ মা-ভাই কে নিয়ে কঠিন অবস্থায় গ্রামের বাড়িতে বসবাস করেছেন। এলাকার শালিশি পরিষদ সদস্যরা বসরের ব্যাপারে উচ্চ আইনী ব্যবস্থা নিতে বাদী শাহিনা কে জানিয়ে দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন,বসর বর্তমানে একটি ইসলামী সংগঠন থেকে বহিস্কৃত হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় সংগঠনের নামে প্রতারণা করে বেড়াচ্ছেন। তার বিষয়ে কোন ব্যক্তি বা তার পরিবারও দায়ি নিবেন না বলে তার আপন ভাই সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন। জানা গেছে যে, বসরের খারাপ কর্মে কান্ডের কারণে তার পরিবারও তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের রেকর্ডের জন্য বিগত ২০/১০/২০১৯সালে(নারী ওশিশু) ধারায় নথিভুক্ত মামলা নং-২৬৭/১৯,চেয়ারম্যান দরাবারে নালিশ পত্র নং-২১/৮/১৯,পটিয়া আদালাতে-০৫/০৯/২০১৯ তারিখে হত্যা চেষ্টা,নির্যাতন, শিশুহত্যা এবং যৌতুকের জন্য মারধর সহ আরো একাধিক কারণে চরম নির্যাতন চালাই বলে প্রতিবেশী মোঃ খোকন সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন।
পটিয়া গোবিন্দখীরের যুবক খোকন আরো জানাই,তার বড় বোনের সাথে এই চরিত্রহীন বসরের বিবাহে হয়েছিল ১০/১২বছর আগে,সেই ঘরে দুটি সন্তান ওআছে। তার বোনের নাম রাসেদা বেগম। তাকে সে যৌতুকের জন্য চরম নির্যাতন করে মিথ্যা অজুহাতে তালাক দিয়ে একই এলাকার শাহিনা ২য় বিয়ে করে। এর আগে আমার বোনের করা মামলায় লোভী বসর কে নারী-শিশু নির্যাতন আইনে জেলে পাঠায়। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আমাদের হত্যার হুমকি সহ জীবন নাশের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত হন। পরে মেম্বার ও শালিশি পরিষদের মাধ্যমে তাকে বেদম প্রহার করে ছেড়ে দিই।

বিষয়টি জানতে পটিয়া থানায় কর্তব্যরত পুলিশ পরিদর্শক কে জিজ্ঞেস করলে থানা সূত্রে জানাই, যেহেতু মামলা চলমান এবং আদালতে একাধিক মামলা সহ প্রতিবেদনের নির্দেশনা আছে তাই আমরা কিছু বলতে পারছি না। তবে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় ওরান্টে/আটক নির্দেশনা পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিব। গত কয়েকদিন পূর্বেও বসরের বিরুদ্ধে বাদী শাহিনের মৌখিক অভিযোগ জেনেছি। ২য় স্ত্রী শাহিন আরো জানাই, তাকে মামলা তুলে নিতে মিথ্যা ইয়াবা-মাদক ও পতিতা(মানব)পাচার মামলার ভয় দেখিয়ে মানষিকভাবে নির্যাতনের কথা ওজানাই।

এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত একাধিকবার বসরের পৈত্রিক ঠিকানায়/একান্ত ভাবে যোগাযোগ(মুঠোফোনে)পাওয়া না যাওয়াতে তার বক্তব্য নেওয়া যাইনি।

তাই উচ্চ প্রশাসনের অনুরোধ, এই জঘন্যতম বক ধার্মিক প্রতারকের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগি নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা ।

চট্টগ্রামে অসংখ্য নারী উদ্যোক্তার মিলন মেলা অনুষ্ঠিত।

ইজি শপিং সিটিজির এক লক্ষ সদস্য পুর্তি উপলক্ষে ২৫ (সেপ্টেম্বর) শুক্রবার বন্দর নগরীর স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের আহসান মন্জিলে উদ্যোক্তাদের মিলন মেলার আয়োজন করেন ইজি শপিং সিটিজি।

চট্টগ্রামের অসংখ্য নতুন নারী উদ্যেক্তাদের সপ্ন পুরনের অনবদ্য এক মাধ্যম এখন “ইজি শপিং সিটিজি “(এফ কমার্স প্লাটফর্ম টিম) পাশাপাশি পুরুষ উদ্যোক্তাও যুক্ত রয়েছেন জনপ্রিয় এই মাধ্যমে।

সকাল ১১ টায় ইজি শপিং সিটিজির এডমিন মোঃ রাকিব উদ্দিন কেক কেটে এক লক্ষ সদস্য পূর্তির মিলন মেলার উদ্বোধন করেন।

এ সময় তিনি বলেন অল্প দিনেই ইজি শপিং সিটিজি এত জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হবে আমি কখনো ভাবিনি,আপনারা আমাদের পাশে আছেন বলে সম্ভব হয়েছে,বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের আগ্রহ দেখে আমি আনন্দিত। তিনি বলেন গ্রাহকরা যাতে ভাল মানের প্রোডাক্ট পায় মিলন মেলার সব উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে বিশেষ অনুরোধ করেন,শুধুই ব্যবসায়িক চিন্তা না করে গ্রাহকদের কথাও মাথায় রাখতে বলেন।

তিনি আরও বলেন কোয়ান্টিটি নয় পণ্যের কোয়ালিটি আপনাকে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে সাহায্য করবে।

পাশাপাশি উদ্যোক্তারা স্টলের মাধ্যমে তাদের পণ্য বিক্রি ও প্রদর্শন করেন,বিশেষ করে নিজেদের তৈরী করা শাড়ি, থ্রি পিছ, নকশী চাদর,পাহাড়ী বস্ত্র, হরেক রকমের পিঠা,আচার,
ও চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী শুটকি ছিল অন্যতম।
মেলায় পুরাতন উদ্যোক্তার পাশাপাশি অসংখ্য নতুন উদ্যোক্তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত,উদ্যোক্তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল নারী উদ্যোক্তা।

এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, ইজি শপিং সিটিজির এডমিন, মোঃ রাকিব উদ্দিন,মডারেটর হুমায়রা ইসলাম,ইসলাম, লোকমান হোসেন, ইফাত আরা রিয়া,সিফাত আল মনছুর ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি মোঃ নিজাম উদ্দিন খান।

আগামী এক মাসের মধ্যেই ইপিজেড থানাকে মাদকমুক্ত করবো-ইপিজেড থানা অফিসার্স ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ

অদ্য ২৬/০৯/২০২০ইং তে চট্টগ্রাম ইপিজেড থানাধীন বিট নং-১২৮ কতৃক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রনে সহযোগিতা/উদ্বুদ্ধ করণ সভা সম্পন্ন করা হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা অফিসার্স ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অফিসার্স ইনচার্জ(তদন্ত) ইপিজেড থানা মোহাম্মদ হোসেন।আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মো সাজিদ কামাল ইন্সেপেক্টর অফিসার্স ইপিজেড থানা,জনাব মো আবু সাঈদ বিট ইনর্চাজ ১২৮,মো জাবের হোসেন (সহ-সভাপতি বিট নং-১২৮),রুবেল দাশ গুপ্তা এ.এস.আই (সহকারি বিট ইনর্চাজ),মোঃআজিজুল হক আজিজ এ.এস.আই (সহকারি বিট ইনর্চাজ)। এ সময় ফুলের তোড়া দিয়ে অতিথিদেরকে বরণ করে নেন বিভিন্ন পাহাড়ি সংগঠন।
এসময় বক্তব্যে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানা অফিসার্স ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া বলেন,তিনি আগামী এক মাসের মধ্যেই ইপিজেড থানাকে মাদকমুক্ত করবেন।যে কোন অন্যায় দেখলে ইপিজেড থানা অফিসার্স ইনচার্জের মুঠোফোনের নাম্বার দিয়ে দেন।
উক্ত সভায় অন্যান্য অতিথিরা ও বক্তব্য প্রদান করেন।

অর্ধশতাংশ ছাড়ে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের শিক্ষা কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

রাকিব হাসান অনি, চট্টগ্রামঃ বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে গরীব শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার লক্ষে ১৮ সেপ্টেম্বর২০’ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় আল হেরা ইসলামীক ইনিস্টিটিউটে ৫০% ছাড়ে আবাসিক অনাবাসিকে ছাত্র ছাত্রী ভর্তির শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব উৎপল কুমার দাশের পরিচালনায় ও আল হেরা ইসলামীক ইনিস্টিটিউটের পরিচালক মুফতি আব্দুল্লাহ খান সিরাজীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মোহাম্মদ আলী। উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম এ আশরাফ উদ্দিন । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আলী বলেন, সকল শিশুর অধিকার সুন্দরভাবে বাঁচিবার এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বঞ্চিত নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়া পথ শিশুদের জন্য আমরা ইতপূর্বে বিনামুল্যের স্কুল বঞ্চিত নারী ও শিশু শিক্ষা নিকেতন নামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি। তার ধারাবাহিকতায় আজ ধর্মীয় শিক্ষার জন্য আবাসিক অনাবাসিকে ৫০ % ছাড়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছি সেটা সফল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন আমাদের এই কার্যক্রম কে আরও বেগবান করতে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের প্রতি দৃষ্টি কামনা করছি। উদ্বোধনী বক্তব্যে এম এ আশরাফ বলেন আমাদের এই ফাউন্ডেশন সবসময় হত দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে ইনশাআল্লাহ। উক্ত অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,ফাউন্ডেশের কেন্দ্রীয় অর্থ সচিব মোঃ মাজহারুল ইসলাম শাহেদ,কেন্দ্রীয় পরিচালক শামসুন নাহার সামু, দৈনিক আজকের সমাচার পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আরাফাত প্রমুখ। পরিশেষে উক্ত কার্যক্রম কে স্বাগত জানিয়ে আল হেরা ইসলামীক ইনিস্টিটিউটের পরিচালক মুফতি আবদুল্লাহ খান সিরাজী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Create your website at WordPress.com
Get started