শুধু করোনা নয় যে কোন বাঁধা উপেক্ষা করে দিন রাত কাজ করে যেতে চাই-মশিউর রহমান।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রামঃ বিশ্বে এক মহামারি আকার ধারণ করেছে এ করোনা ভাইরাস।বিশ্ব আজ থমকে গিছে করোনার কাছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গোটা বিশ্বে বেড়েই চলেছে। যার থাবা এসে পড়েছে বাংলাদেশেও।বাংলাদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে।
করোনা উপেক্ষা করে দিন রাত বন্দর বিভাগে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম ট্রাফিক বন্দর বিভাগের টিআই (প্রশাসন) মশিউর রহমান।
করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে যখন নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে তখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে, পুলিশ ভয় আছে, আছে আতঙ্কও। কিন্তু কর্তব্যটা যে মুখ্য, আর তাই করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে যখন নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, ঠিক তখন দেশ আর দশের প্রয়োজনে নিজেদেরকে সঁপে দিচ্ছেন আমাদের নিরাপত্তা কর্মীরা।তেমনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম ট্রাফিক বন্দর বিভাগের টিআই (প্রশাসন) মশিউর রহমান ।
চট্টগ্রাম ট্রাফিক বন্দর বিভাগের টিআই (প্রশাসন) মশিউর রহমান নিজ কর্মদক্ষতাগুণে জনবান্ধব টিআই হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন সর্ব মহলে। ট্রাফিক বন্দর বিভাগের টি আই (প্রশাসন) হিসেবে যোগদানের এক মাসের মধ্যেই ট্রাফিক বন্দর বিভাগের আওতাধীন এলাকা সমূহের নিজের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যুগান্তকারী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, টি আই মশিউরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে পতেঙ্গা টি আই থাকাকালীন বিমান বন্দর অভিমুখী ফ্লাইওভার নির্মানের সময় সাধারন জনগনকে যানজটমুক্ত রাজপথ উপহার দিয়ে নির্বিঘে তাদের নিজস্ব গন্তব্যস্থলে পৌছাতে সহায়তা করা কারণ বর্ষাকালে ফ্লাইওভার নির্মাণকালীন সময়ে বিমান বন্দরের অভিমুখী বিদেশী ও হজযাত্রীসহ সাধারণ জনগনকে নিজ গন্তব্যস্থলে পৌছাতে প্রাথমিক অবস্থায় বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
কিন্তু টি আই পতেঙ্গার দায়িত্ব গ্রহণ করেই তার ২৮ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে জনগনকে গন্তব্যস্থলে পৌছাতে ব্যপক সহায়তা করেছিল। সাফল্যের ধারাবাহিকতা তিনি অব্যাহত রেখেছেন বন্দর বিভাগের টিআই (প্রশাসন) হিসেবেও।
নিজ সাফল্যের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বন্দর বিভাগের টিআই(প্রশাসন) মশিউর বলেন, “ সফলতা কিংবা বিফলতা পরিমাপের মাপকাঠি হচ্ছে সাধারণ জনগন। তবে আমার উপর যখনই যে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে আমি তা নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছি।
রাষ্ট্র অর্পিত যে কোন গুরু দায়িত্ব পালন করতে আমার নিষ্ঠা ও একাগ্রতার কমতি হবে না।” জনবান্ধব টিআই হিসেবে খ্যাতি লাভ করা বন্দর বিভাগের টিআই(প্রশাসন) মশিউর রহমান তার প্রাপ্ত খ্যাতি তার নিজ কর্মদক্ষতা গুণে ধরে রাখবেন এই প্রত্যাশা সকলের।

মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির নামে করা হচ্ছে অপপ্রচার।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রামঃ বিশ্বে এক মহামারি আকার ধারণ করেছে এ করোনা ভাইরাস।বিশ্ব আজ থমকে গিছে  করোনার কাছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গোটা বিশ্বে বেড়েই চলেছে। যার থাবা এসে পড়েছে বাংলাদেশেও।বাংলাদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে। 

করোনায় মানুষ মানুষকে চিনতে সাহায্য করেছে। করোনা মানুষ একা বাচঁতে শিখিয়েছে।এই পরিস্থিতে প্রশাসন সব চেয়ে বেশি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ কাছে।তেমনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ি। করোনা পরিস্থিতে সিএমপি কতৃক আসহায় দরিদ্র মানুষের রান্না করা খাবার, ত্রাণ সামগ্রী ডোর টু ডোর পৌছেঁ দিয়েছেন।সরকারের কথা মতো বিকাল চার ঘটিকার মধ্যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সকল আদেশ পালন করার জন্য তৎপর ছিলেন সাব ইনস্পেক্টর নাছির উদ্দিন।

এই পরিস্থিতে কিছু সংখ্যক মানুষ সুযোগ নিয়েছে তারা বিভিন্ন সময় থানার নামে বিভিন্ন স্থান থেকে টাকা নেওয়া এবং থানার নামে অপপ্রচার শুরু করেছেন।

গত বছর সাব ইনস্পেক্টর নাছির উদ্দিন মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়িতে ইনর্চাজ হিসেবে যোগদান করেন তিনি তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, তিনি যে স্থানে দায়িত্বরত রয়েছেন সেখানে মানুষের সংখ্যা বেশি যেখানে মানুষের সংখ্যা বেশি সেখানে সাধারণত অপরাধ বেশি হয় তাই আমাদের সব সময় প্রস্তুত থাকতে হয়।তিনি বলেন আমি এই ফাঁড়ি তে যোগদানের পরে এই এলাকার জুয়া,মাদক,পতিতালয় থেকে এই এলাকাকে মুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত কাজ করে যাচ্ছি এবং প্রায় বেশির ভাগ কাজে সফলতা পেয়েছি, বর্তমানে,আমি আমার এলাকাটি মাদক,জুয়া,পতিতালয়,সন্ত্রাস থেকে রক্ষা করতে পেরেছি আপনি দেখতে পাবেন বর্তমানে আমার এলাকায় প্রকাশে কোনো প্রকার জুয়া খেলা হয় না যদি কোথাও হয়ে থাকে তাহলে সাধারণ জনগণ বা অন্য কেউ আমাদের জানালে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে এলাকার কিছু মানুষের সাথে কথা বললে তাদের মধ্যে হাসান নামের এক ব্যাক্তি আমাদের জানান, আগে আমাদের এলাকায় প্রকাশে জুয়া খেলতো বর্তমানে আমরা তা দেখছি না এবং আগে যেখানে সেখানে মাদক বিক্রয় হতো কিন্তু এখন আমরা তাদের দেখি না যারা মাদক বিক্রয় করতেন।তিনি আরো বলেন,বর্তমান ইনর্চাজ খুবই ভালো তাকে যখন যেকোন কাজে ফোন করলে তিনি সাথে সাথে ব্যবস্থা নেন।

ফাঁকা বাসা নিয়ে যন্ত্রণায় পড়ছেন অনেক বাড়িওয়ালারা।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রামঃ

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় মার্চ মাস থেকেই নানা ঝামেলায় পড়তে শুরু করেন বিভিন্ন বাসার ভাড়াটেরা। বিশেষ করে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পরই অনিয়মিত হতে শুরু করে বাড়িভাড়া পরিশোধ।

করোনা সংকট না কাটতেই বাসা খালি হওয়ায় নতুন ভাড়াটে না পেয়ে যন্ত্রণায় পড়ছেন বাড়িওয়ালারা। করোনার কারণে ভাড়াটিয়ারা বাসা ছেড়ে দেওয়ায় নতুন ভাড়াটিয়াও পাচ্ছেন না তারা। এ অবস্থায় অনেক বাড়ির ফ্ল্যাট এখন ফাঁকা।

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সরকারি কর্মজীবী, কিছু সংখ্যক বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব পেশাজীবী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। যেখানে পরিবারের জন্য প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করাই একটি চ্যালেঞ্জ, সেখানে মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে দেখা দিয়েছে বাড়িভাড়া, গ্যাস বিল, কারেন্ট বিল ও বিভিন্ন সার্ভিসের বিল। এ চাপ সহ্য করতে না পেরে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার লোক বাসা ছেড়ে দিয়েছেন।’

করোনা ভাইরাস মহামারির পর থেকে ভাড়াটিয়া পরিষদ বাড়িভাড়ার অমানবিক চাপ থেকে অসহায় সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানোর পরও কোন ফল হয়নি। সরকার বাড়িওয়ালাদের কর মওকুফের মতো কিছু বাড়তি সুবিধা দিয়ে করোনাকালে ভাড়া মওকুফ করে সারাদেশের অসহায় ভাড়াটিয়াদের পাশে দাঁড়াবেন। এমনটাই আশা করেছিলেন অনেক বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটে। এমন কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ভাড়েটেরা বাসা ছেড়ে নিজ নিজ গ্রামে যাওয়া শুরু করেছেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের চেয়ারম্যান শেরে মিল্লাত শায়খুল হাদিস আল্লামা ওবায়দুল হক নঈমী আর নেই

মোঃ হাসান,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

দেশের শীর্ষ আলেম ষোলশহরস্থ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের চেয়ারম্যান শেরে মিল্লাত ওবায়দুল হক নঈমী হুজুর আর নেই( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

সোমবার(৬জুলাই) বিকাল ৫টার দিকে তিনি বন্দর নগরীর সিএসসিআর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা নঈমীর ইন্তেকালের খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো চট্টগ্রামে।

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার নঈমী হুজুরের ইন্তেকালের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নঈমী হুজুরের রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
সোমবার রাত ১২টায় ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে নঈমী হুজুরের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।

আল্লামা নঈমীর ইন্তেকালে সুন্নি জনতা একজন সর্বোচ্চ অভিভাবক হারিয়েছেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী দেশব্যাপী ইসলামের মূলধারার প্রচার প্রসারে ও দীনি শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তার ইন্তেকালে সুন্নি জনতা একজন সর্বোচ্চ অভিভাবককে হারিয়েছেন। সুন্নি অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা অপূরণীয়।

আল্লামা নঈমীর ইন্তেকালে শোক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন প্রখ্যাত আলেম ওলামারা।

বিবৃতি দিয়েছেন নায়েবে আ’লা হজরত আল্লামা মুফতি ইদ্রিচ রেজভী, আল্লামা আবদুল করীম সিরাজনগরী, পীরে তরিকত সৈয়দ মুহাম্মদ মছিহুদ্দৌলা, আল্লামা আবুল কাশেম নুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আল্লামা এমএ মান্নান, মহাসচিব আল্লামা এমএ মতিন, আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মহসীন, জেনারেল সেক্রেটারি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, পীরে তরিকত আল্লামা কাজী আব্দুস শকুর নকশবন্দি, পীরে তরিকত সৈয়দ মুহাম্মদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-মাইজভাণ্ডারী, সৈয়দ বদরুদ্দোজা বারী, অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ অছিউর রহমান আলকাদেরী, আল্লামা হাফেজ সোলায়মান আনসারী, শায়খুল হাদিস কাজী মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন আশরাফী, শায়খ আল্লামা আবু সুফিয়ান খান আলকাদেরী, স উ ম আব্দুচ সামাদ, সৈয়দ মাওলানা মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন আলকাদেরী, আল্লামা ড. সৈয়দ এরশাদ আহমদ আল বোখারী, আল্লামা মাসউদ হোসাইন আলকাদেরী আনজুমানে খোদ্দামুল মোসলেমীন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাহাবুদ্দীন চৌধুরী, কাজী মুহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মতিন, অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ তৈয়্যব আলী, আল্লামা নুর মুহাম্মদ আলকাদেরী, পীরজাদা গোলামুর রহমান আশরফ শাহ্, আল্লামা ছাদেকুর রহমান হাশেমী, অধ্যক্ষ ইসমাইল নোমানী, অধ্যক্ষ বদিউল আলম রেজভী, অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, মহাসচিব শাহজাদ ইবনে দিদার, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মুহাম্মদ ফিরোজ আলম খোকন, ইসলামী ফ্রন্ট মহানগর উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম, সম্পাদক নাছির উদ্দিন মাহমুদ, দক্ষিণ জেলার সভাপতি অধ্যাপক মনছুর দৌলতী, সম্পাদক হাফেজ আহমদ আলকাদেরী, উত্তর জেলার সভাপতি মাওলানা কদম রসুলী, সম্পাদক এসএম ইয়াসিন হোসাইন হায়দারী, চট্টগ্রাম নগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা এমএন ইসলাম জিহাদী, সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আশরাফ হোসাইন আলকাদেরী, শাহ্জাদা মাওলানা কাযী আবুল এরফান হাশেমী, কাযী মুহাম্মদ আবুল ফোরকান হাশেমী, মাস্টার মুহাম্মদ ইছমাইল হোসেন, মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী প্রমুখ।

বন্দর থানা ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন

“মুজিব বর্ষের আহ্বানে তিনটি করে গাছ লাগান”
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বনজ,ফলজ ও ভেষজ তিনটি করে গাছ লাগানোর কর্মসূচী পালন করে বন্দর থানা ছাত্রলীগ

“গাছ লাগান জীবন বাঁচান”
এই প্রতিপাদ্য নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থানা ছাত্রলীগ কতৃক ০৫ জুলাই রোজ রবিবার বন্দর থানা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এই সময় বন্দর থানা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মো ওমর ফারুক নয়ন বলেন, বিশ্ব এখন এক করুন বিপর্যয়ের মধ্যে ধাবিত হচ্ছে শুধুমাত্র পৃথিবী থেকে গাছ-পালা কমে যাওয়ার কারণে। তাই পরিবেশ রক্ষার্থে গাছ লাগানোর বিকল্প নাই। তিনি আরও বলেন বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতি টি নাগরিকদের তিনটি করে যে গাছ লাগানোর আহ্বান করেছেন সেই আহবানে সাড়া দিয়ে বন্দর থানা ছাত্রলীগের গাছ লাগানো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাবে ইনশাআল্লাহ। পৃথিবী থেকে দিন দিন যে হারে গাছ-পালা কমে যাচ্ছে তাতে বিশ্ব হুমকির মুখে ধাবিত হচ্ছে। আর তাই বাংলাদেশ সরকার গাছ লাগানোর বিষয়ে যে আহবান রেখেছেন তাতে সাড়া দিয়ে সকলকে গাছ লাগানোর জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

এই সময় ফলজ,ঔষধি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন,বন্দর থানা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি মো ওমর ফারুক নয়ন
থানা ছাত্রলীগ নেতা, জিসান জাফর রিদয়, আবেদ হোসেন, রাশেদুল আলম। প্রমুখ।

বন্দরের চোরাকারবারির গডফাদার “শাহিন”

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার নিউমুরিং এমপিবি গেইট এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের কতিপয় অসাধু ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিন বের হচ্ছে লাখ লাখ টাকার আমদানিকৃত পণ্যসামগ্রী। ২০-৩০ হাজার টাকা দিলেই অবৈধপথে বের হচ্ছে এসব পণ্য ও মালামাল— এমন অভিযোগ উঠেছে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে গিয়ে নিউমুরিং এমপিবি গেইট রেলবিট এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানিকৃতপণ্য ঝুঁপড়িতে স্তুপ করা মালামালগুলো সেখান থেকে দিনের বেলায় একটি ট্রাক থেকে শাহিনের ভ্যানগাড়ি বোঝাই করার একটি ভিডিওচিত্র । ভিডিওতে দেখা যায় সেখানে কয়েকজন লোক বন্দর থেকে অবৈধপথে বের করা আমদানিকৃত প্লাস্টিকের দানা ও প্লাস্টিকের রোল গাড়িতে বোঝাই করছে।যদিও বন্দরের সীমানা সংগ্লণ মধ্যে কোনো ধরণের পণ্য লোড আনলোড করা নিষিদ্ধ।

চোরাইপথে বের করা পণ্য ও মালামালগুলোর মধ্যে রয়েছে— কয়লা, নিষিদ্ধ পলিথিন, প্লাস্টিকের দানা, খাদ্য দ্রব্য পেঁয়াজ, রসুন, আদা, কাঠ, লোহা, গাড়ির যন্ত্রাংশ এমনকি বিষাক্ত শিশা ও গন্ধক।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এমপিবি রেলবিট এলাকায় সক্রিয় রয়েছে এই চোরাকারবারি চক্র। বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও আনসার সদস্যদের ২০-৩০ হাজার টাকা দিলে বের হয়ে যাচ্ছে এসব পণ্যের চালান। ওই এলাকার শাহিনের নেতৃত্বে একুশজনের একটি সিন্ডিকেট এসব অবৈধ ব্যবসার যোগানদাতা। চক্রটি বন্দরের ভেতরের আমদানিকৃতপণ্য চোরাইপথে বের করে শাহিন ও তার সহযোগী সাহাবউদ্দিন ও তার সাঙ্গুপাঙ্গু।

অভিযুক্তরা হলেন, চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার নিউমুরিং এমপিবি গেইট এলাকার শাহিন চোরাকারবারি দলের গডফাদার শাহিন ও তাঁর একুশজনের সিন্ডিকেট তারা হলেন কবির,হান্নান আনোয়ার,দেলোয়ার মোল্লা,জহির,কাসেম,মানিক,জামাই সুরুজ,সাহাবউদ্দিন,সুমন,সিরাজ,মিরাজ,জামাই দেলোয়ার,হেলাল,জামাল,লেঙ্গা ইলিয়াছ,ইলিয়াছ,হাসান নেজাম উদ্দিন,ইসমাইল । এছাড়া এই চক্রটির সঙ্গে রয়েছেন বন্দরের চোরাকারবারির হোতা মো. কবিরও।বর্তমানে কবির তিনটি মামলায় আটক হয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইপিজেড থানার এমপিবি গেইট এলাকায় রেলবিট সংলগ্ন ঝুঁপড়িতে গুদামঘর জুড়ে রেখেছে অবৈধপণ্যের বিশাল সম্রাজ্য। শুধু তাই নয়, সেখানে রেলবিট এলাকায় সড়কের অধিকাংশ জায়গাও তাঁর দখলে রেখেছেন। সেখানে একাংশে জুড়ে রেখেছে চোরাইপণ্য কাঠের স্তুপ।

অভিযোগের বিষয়ে শাহিনের কাছে জানতে তার ব্যবহৃত নম্বরে ফোন করেলে মুঠোফোনের সংযোগ তিনি জানান,এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না তিনি শুধু কাঠের ব্যবসা করেন।

চট্টগ্রাম বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক লেঃ কর্ণেল আহমেদ জুনাইদ আলম খান (পিবিজিএম)’র নিকট এবিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আপনার কিছু জানার থাকলে আপনি আমার আফিসে এসে কথা বলেন পরে তার আফিসে গেলে তিনি ব্যস্ত আসেন বলে তার সাথে পরে যোগাযোগ করতে বলেন

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা তিনি বলেন আপনি চট্টগ্রাম বন্দর নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক লেঃ কর্ণেল আহমেদ জুনাইদ আলম খান (পিবিজিএম)’র সাথে যোগাযোগ করুন।

রাজনীতি অংগনে প্রবীণ নেতাদের মৃত্যুতে ৩৮ নং ওর্য়াড আওয়ামিলীগের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উদযাপন।

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
করোনা পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্ব তালমাতাল।বর্তমানে সারাবিশ্বে মৃত্যুর মিছিল।এই মৃত্যুর মিছিলে বাংলাদেশের বেশ কিছু ক্ষণজন্মা রাজনৈতিক নেতার মৃত্যুতে শোকছায়া নেমে এসেছে।তেমনি বন্দর নগরীর চট্টগ্রাম ৩৮নং ওর্য়াড এ রাজৈনতিক নেতা জনাব নুরুল আলমের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদদ মাহফিল করা হয়। এ সময় সারা বিশ্ব করোনা মুক্ত হওয়ার জন্য দোয়া করা হয় এবং সকলের মৃত্যুতে দোয়া করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৩৮নং ওর্য়াড আওয়ামী লীগের সভাপতি এম হাসান মুরাদ সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মোহাম্মদ হাসান,সহ সভাপতি হাজ্বী আবু নাছের,সামসুল আলম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকআকতারুজ্জামান সাংগঠনিক সম্পাদক হাজ্বী হাসান মুন্না,মোহাম্মদ সালাউদ্দিন,আইন বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল আলম মিন্টু,অর্থ-সম্পাদক হাজ্বী মোহাম্মদ আলী মঈনু,হাজ্বী শের আলী সওদাগর,মোহাম্মদ মোরশেদ আলম,তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নজরুল ইসলাম টিটু,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এলাম উদ্দিন,শ্রম সম্পাদক মন্জুরুল আলম শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শাহ নেওয়াজ শানু,এম দিদারুল আলম দিদার, সাহেদ বশার,জহির উদ্দিন,মোহাম্মদ ফারুক,আব্দুর রহমান আকরাম আলী,সোলাইমান আবু তালেব,মোহাম্মদ আরিফ,মোহাম্মদ মুরাদ সহ আরও অনেকে।

করোনা উপেক্ষা করে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন-মোহাম্মদ হোসেন

রাকিব হাসান অনিক,চট্টগ্রামঃ 
বিশ্বে এক মহামারি আকার ধারণ করেছে এ করোনা ভাইরাস।বিশ্ব আজ থমকে গিছে  করোনার কাছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গোটা বিশ্বে বেড়েই চলেছে। যার থাবা এসে পড়েছে বাংলাদেশেও।বাংলাদেশেও সংক্রমণ বাড়ছে। 
করোনা উপেক্ষা করে দিন রাত বন্দর বিভাগে  নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন  চট্টগ্রাম ইপিজেড থানা (তদন্ত) মোহাম্মদ হোসেন। করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে যখন নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে তখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে, পুলিশ ভয় আছে, আছে আতঙ্কও। কিন্তু কর্তব্যটা যে মুখ্য, আর তাই করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে যখন নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, ঠিক তখন দেশ আর দশের প্রয়োজনে নিজেদেরকে সঁপে দিচ্ছেন আমাদের নিরাপত্তা কর্মীরা।তেমনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম বন্দর বিভাগের ইপিজেড থানা (তদন্ত) মোহাম্মদ হোসেন। ।
চট্টগ্রাম বন্দর বিভাগের ইপিজেড থানা (তদন্ত) মোহাম্মদ হোসেন নিজ কর্মদক্ষতাগুণে সাহসী তদন্ত হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন সর্ব মহলে। ইপিজেড থানা মোহাম্মদ হোসেন (তদন্ত) হিসেবে যোগদানের এক মাসের মধ্যেই বন্দর বিভাগের আওতাধীন এলাকা সমূহের নিজের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যুগান্তকারী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। 

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মোহাম্মদ হোসেন (তদন্ত) সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে পবিত্র রমজান মাসে এমন একটি ন্যাক্কারজনক হত্যকান্ডের সংবাদ পেয়ে মর্মাহত হলেও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস ও মনোবল নিয়ে হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সার্বিক দিকনির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ মহোদয় ও সহকর্মীদের প্রেরণায় এবং সকল অধস্তনের কর্মতৎপরতায় হত্যাকাণ্ড সংঘটনের মাত্র ১৪ দিনের মাথায় হত্যার রহস্য উদঘাটন ও সকল তথ্য প্রমাণাদি সাপেক্ষে ঘটনায় জড়িত আসামীদের বিচারার্থে আদালতে সোপর্দ করেনন মোহাম্মদ হোসেন।

নিজ সাফল্যের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইপিজেড থানার মোহাম্মদ হোসেন বলেন, “ সফলতা কিংবা বিফলতা পরিমাপের মাপকাঠি হচ্ছে সাধারণ জনগন। তবে আমার উপর যখনই যে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে আমি তা নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছি।
রাষ্ট্র অর্পিত যে কোন গুরু দায়িত্ব পালন করতে আমার নিষ্ঠা ও একাগ্রতার কমতি হবে না।” সাহসী তদন্ত হিসেবে খ্যাতি লাভ করা ইপিজেড থানার মোহাম্মদ হোসেন(তদন্ত) তার প্রাপ্ত খ্যাতি তার নিজ কর্মদক্ষতা গুণে ধরে রাখবেন এই প্রত্যাশা সকলের।

কুড়িগ্রাম চিলমারীতে ব্রক্ষপুত্র নদীর তীরে অবস্থান রত মানুষের মানবেতর জীবন-যাপন।

Create your website at WordPress.com
Get started